Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

১। ৩য় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচীঃ

                                  ২০১১-১২ অর্থবছর থেকে ৫৮৩৫৯.০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চালুকৃত জুন ২০১৬ মেয়াদে বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে ১) বিদ্যালয় গমনোপযোগী সকল শিশুর বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করাসহ প্রাথমিক শিক্ষাচক্র সম্পন্ন করা ২)শিশুদের ভর্তির ক্ষেত্রে সকল প্রকার বৈষম্য দূর করা ৩) সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষণ শিখন পরিবেশ উন্নতকরণ ৪)প্রাক প্রাথমিক পর্যায় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদের জন্য শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।

২। প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প - ৩য় পর্যায়ঃ

                                                প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প দেশব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের দরিদ্র ছাত্র ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের এক ইতিবাচক এবং যুগান্তকারী কর্মসূচী।  প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প প্রাথমিক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির হার বৃদ্ধি, উপস্থিতি বৃদ্ধি,ঝরে পড়ার হার রোধকরণ,শিশুশ্রম রোধ ও দারিদ্র্যবিমোচন,নারীদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণ এবং প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রকল্পটির প্রথম পর্যায় ২০০২ সালের জুলাই মাসে চালু হয় এবং ২০০৮ সালের জুন মাসে শেষ হয়। প্রকল্পটির ২য় পর্যায় চালু হয় ২০০৮ সালের জুলাই মাসে এবং শেষ হয় ২০১৫ সনের জুন মাসে। বর্তমানে এ প্রকল্পটির ৩য় পর্যায় চালু রয়েছে। এ প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের শতকরা ১০০ ভাগ অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প ভোলা জেলার সবকটি উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে চালু আছে।

৩। রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন(রস্ক) প্রকল্পঃ

                                         এই প্রকল্পের আওতায় ৬৮৪.৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের অনুন্নত জনপদ এবং ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত ৯০ টি উপজেলায় আনন্দ স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ৭-১৪ বছর বয়সী ৭৫০০০০ হত-দরিদ্র ও ঝরেপড়া শিশুর আনুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষার দ্বিতীয় সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।শিশুদের শিক্ষার পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে এ সকল স্কুলে ৯০% মহিলাকে সভাপতি এবং ৮৮% মহিলাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।এ ছাড়া প্রকল্পটির অর্থায়নে ঢাকার ফতুল্লায় একটি কারিগরি শিক্ষাকেন্দ্র চালু করে ২৫৩ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মক্ষম করা হয়েছে।ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলায় ইতোমধ্যে আনন্দ স্কুল কার্যক্রম শেষ হয়েছে।বর্তমানে দৌলতখান,বোরহানউদ্দিন,তজুমদ্দিন,লালমোহন ও মনপুরা উপজেলায় চালু রয়েছে।

৪। স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামঃ

              প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়া রোধ এবং পুষ্টিমান বৃদ্ধির জন্য পর্যায়ক্রমে ৯৬ টি দারিদ্রপীড়িত উপজেলার ২০ লক্ষ শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতি স্কুল দিবসে ৭৫ গ্রাম হারে উচ্চ পুষ্টিমান সম্পন্ন বিস্কুট সরবরাহের কার্যক্রম চালু হয়েছে। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন এবং মনপুরা উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে বর্তমানে এ প্রকল্পটি চালু রয়েছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীর মাধ্যমে কর্মসূচীটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।